সংখ্যালঘুদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি we‡ivax `wjq †bÎx †eMg Lv‡j`v wRqvi|
সোমবার
এক বিবৃতিতে সরকারের প্রতি দাবি জানানোর
পাশাপাশি তদন্তের আগে এই হামলার
জন্য কাউকে দায়ী না
করতেও সংবাদ মাধ্যমের প্রতি
আহ্বান জানান বিরোধী নেতা। সংখ্যালঘুদের
ক্ষতিপূরণ দিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন
তিনি, আহ্বান জানিয়েছেন ঘটনাগুলো
তদন্তের। দক্ষিণ-চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল, বাগেরহাট সহ কয়েকটি স্থানে হিন্দু
সম্প্রদায়ের ওপর হামলা হয়। হামলার
জন্য বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াতকে দায়ী করেছে ক্ষতিগ্রস্ত
পরিবারগুলো এবং হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।
“ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায় নির্বিশেষে
এদেশে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিকের জান-মাল-সম্ভ্রমের
নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অধিকারের
সুরক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর। এর
ওপর কোনো আঘাত বরদাশত
করা হবে না।”সংখ্যালঘু
সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অপতৎপরতা
কঠোর হাতে দমনের জন্য
প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীর প্রতি আহ্বান তিনি।এই
ধরনের হামলা এড়াতে আলেম-উলামা, ধর্মপ্রাণ নাগরিক
এবং দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহবান
জানান খালেদা জিয়া।“দেশের কোথাও কোনো
কুচক্রি মহলের উস্কানিতে ধর্মীয়
সংখ্যালঘু ভাইবোনদের জীবন, সম্পদ ও
সম্মান যেন কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
না হয়, সে ব্যাপারে
আপনারা সজাগ থাকুন।”
গত
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধাপরাধী সাঈদীর বিরুদ্ধে রায়ের
পরপরই দেশব্যাপী জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা শুরু হয়।
বিভিন্ন স্থানে রেললাইন তুলে
ফেলা হয়, ভাংচুর করা
হয় গাড়ি-দোকানপাট, হামলা
হয় পুলিশের ওপর।
সোমবার
রাতে এক বিবৃতিতে বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন,
সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী’ আচরণের মধ্যে দেশব্যাপী
যখন ‘প্রতিরোধের লড়াই’ শুরু হয়েছে,
তখনি ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের
বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা
হচ্ছে। গণমাধ্যমের
প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসনের আহ্বান-
“এই ধরনের ঘৃণ্য তৎপরতার
ব্যাপারে কোনো পূর্বধারণার বশবর্তী
কিংবা মহল বিশেষের প্রচারণায়
বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত
ঘটনা জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে
তুলে ধরুন।” গত শুক্রবার
সংবাদ সম্মেলনে দেয়া বক্তব্য পুনরুল্লেখ
করে তিনি বলেন, “আমি
বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধ্বংসের অপচেষ্টার কথা উল্লেখ করে
দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান
জানিয়েছিলাম। আজ
সম্মিলিতভাবে এ ধরণের ঘৃণ্য
তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান
জানাচ্ছি।” সাম্প্রদায়িক
সম্প্রীতি নষ্টের জন্য সরকারকে
দায়ী করে খালেদা জিয়া
বলেন, “বিভিন্ন সময় গণবিচ্ছিন্ন শাসকেরা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে জনগণের
আন্দোলনকে বিপথগামী করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। “স্বৈরশাসকদের
এহেন ঘৃণ্য তৎপরতাকে নস্যাৎ
করে দিয়ে অতীতে আমরা
জনগণের আন্দোলনকে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে
দিয়েছি। এবারেও তার ব্যত্যয়
ঘটবে না।”


No comments:
Post a Comment